মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
>>> পায়রা মিডিয়া এন্ড কমিনিউকেশন (প্রা:) লিমিটেডে আপনাকে স্বাগতম ** আপনার পন্য এবং প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন: +৮৮ ০১৭১২২৭৬২৫৮ ** বার্তা সংক্রান্ত: ০১৭২১০০৯০১৭ ** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: দৈনিক মানবকালে কিছু সংখ্যক স্টাফ রিপোর্টার, রিপোর্টার এবং নিউজ রুম এডিটর নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা অফিসে যোগাযোগ করুন **

আজ ‘জননী সাহসিকা’সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯, ১২.২৯ অপরাহ্ণ
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ছিল। এজন্য তিনি ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে রোকেয়া হল নামকরণের প্রস্তাবক ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার (২০ নভেম্বর)। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, কবি সুফিয়া কামালের জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। মহীয়সী এ নারী তাঁর কাব্য প্রতিভা ও কর্মের গুণে জাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কবি বেগম সুফিয়া কামালের আদর্শ ও দৃষ্টান্ত যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

কবি সুফিয়া কামালের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী, দিওয়ান, মোর জাদুদের সমাধি পরে প্রভৃতি। গল্পগ্রন্থ ‘কেয়ার কাঁটা’। ভ্রমণ কাহিনি ‘সোভিয়েত দিনগুলি’, স্মৃতিকথা ‘একাত্তুরের ডায়েরি’।

সুফিয়া কামাল ৫০টিরও অধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পদক উল্লেখযোগ্য।

সুফিয়া কামাল যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন নারীশিক্ষা অনেকটা নিষিদ্ধ ছিল। তিনি নিজ উদ্যোগে নিজেকে শিক্ষিত করেই ক্ষান্ত হননি, পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে শিক্ষিত করে তোলার দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। নারীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ স্মরণসভার আয়োজন করেছে। সেগুনবাগিচায় সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণসভায় কবি সুফিয়া কামালের জীবন দর্শন বিষয়ে মূল আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভাষা শিক্ষা বিভাগের গবেষক তনুশ্রী মল্লিক। এ ছাড়া সকালে পরিবারের পক্ষ থেকে কবির সমাধিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ।

Sharing

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazaranobkal5425
© All rights reserved © Payra Media & Communication (Pvt) Ltd
Theme Download From ThemesBazar.Com
shares